চিঠির বাক্স
**"চিঠির বাক্স"** গ্রামের নাম পদ্মপুর। আর এই গ্রামের শেষ মাথায় ছিল একটি পুরনো ডাকঘর। সেই ডাকঘরের পাশে একটি লাল রঙের চিঠির বাক্স – যেটা আজকাল আর কেউ ব্যবহার করে না। কিন্তু প্রতিদিন বিকেলে ঠিক ৪টা ১৫ মিনিটে সেখানে একটি মেয়েকে দেখা যেতো। নাম তার রুবি। রুবি প্রতিদিন একটা চিঠি লিখত এবং সেই পুরনো চিঠির বাক্সে ফেলে আসত। কেউ জানত না, সেই চিঠি কার জন্য। কেউ কখনও সেই চিঠির জবাবও পায়নি। কিন্তু রুবি কখনও থামেনি। একদিন, শহর থেকে সদ্য গ্রামে আসা এক তরুণ ডাক্তার—আলভি—বিষয়টা খেয়াল করলো। কৌতূহলী হয়ে একদিন জিজ্ঞেস করেই ফেললো, "আপনি কি প্রতিদিন এখানে চিঠি ফেলেন?" রুবি মৃদু হেসে বলল, "হ্যাঁ।" "কিন্তু আজকাল তো কেউ আর চিঠি পড়ে না। আপনি কাকে লিখেন?" রুবি একটু চুপ করে থেকে বলল, "যাকে ভালোবেসে হারিয়েছি… তাকে।" আলভি আর প্রশ্ন করেনি। কিন্তু সেদিন থেকেই রুবির প্রতি তার মনটা কেমন করে টানতে লাগল। দিন পেরোল, সপ্তাহ পেরোল। একদিন চিঠির বাক্সটি সরিয়ে ফেলা হলো সরকারি আদেশে। রুবি সেদিন চিঠি ফেলতে এসে বাক্স না পেয়ে একা একা কাঁদতে লাগল। ঠিক তখনই, আলভি এসে বলল, "তোম...